Monday March 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫ এ ১১:২০ AM

এক নজরে

কন্টেন্ট: পাতা

ক্রমবর্ধমান শিক্ষার্থী বৃদ্ধির ফলে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেনতুন ভবন নির্মাণ এবং সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রধান শিক্ষকদের পদমর্যাদা ৩য় শ্রেণি থেকে ২য় শ্রেণিতে উন্নীতসহ সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষাচক্র শেষে দেশের সকল ৫ম শ্রেণির শিশু একসাথে এবং এক প্রশ্নে জাতীয় পরীক্ষার ন্যায় সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা হচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রচলন করা হয়েছে; এতে প্রাথমিক শিক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। সমাপনী পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুদের বৃত্তি প্রদান করা হয় এবং শিশুদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য পিটিআইগুলোতে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে এবং পিটিআইবিহীন ১২টি জেলাতে নতুন করে পিটিআই চালু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীতকরণের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। শিক্ষা জীবনের প্রথম থেকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের আধুনিক পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে ইন্টারনেট সংযোগসহ ল্যাপটপ এবং মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সরবরাহ করা হচ্ছে। আশা করা যায় এর ফলে আমাদের শিশুরা আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় মাঠপর্যায়ে ৭বিভাগে উপ-পরিচলক অফিস, ৬৪ জেলায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, শিক্ষকদের দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য ৬৭ টি পিটিআই (প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউট), ৫০৫ টি উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিস এবং শিক্ষকদের স্বল্প মেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য ৪৮২ টি উপজেলা/থানা রিসোর্স সেন্টার রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজে সম্পাদন করার লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে ক্ষমাতার বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন